দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশকে কেন্দ্র করে দলটির নেতাকর্মীদের সঙ্গে ছাত্রদলের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, সারজিস আলম, সাংবাদিকসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সন্ধ্যায় শহরের থানার মোড় এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমকে সোনালী ব্যাংকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটে।
এনসিপির জেলা শাখার আহ্বায়ক আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন, ‘সমাবেশ শেষে কেন্দ্রীয় নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমকে নিয়ে সার্কিট হাউসে যাওয়ার পথে থানার মোড় এলাকায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হামলা চালান।’
এ বিষয়ে এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব সালেহ উদ্দিন সিফাত নিজের ফেসবুক পোস্টে অভিযোগ করেন, জুলাই পদযাত্রায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমের গাড়িবহরে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা অতর্কিত হামলা চালান। এতে সাংবাদিক ও এনসিপির নেতাকর্মীরা আহত হন।
তিনি আরও দাবি করেন, হামলায় সারজিস আলম ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আহত হয়েছেন। এনসিপির মিডিয়া টিমের মাইক্রোবাসটি হবিগঞ্জ জেলা সার্কিট হাউসের ভেতরে নিয়ে হামলা করা হয়। শুধু গাড়ি ভাঙচুরই নয়, মোবাইল ফোন ও ক্যামেরাও নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এদিকে সংবাদ সংগ্রহের সময় সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পরও স্থানীয় সাংবাদিক নাহিদের ওপর হামলা করা হয়। পরে তাকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন। তিনি বলেন, ‘শান্তিপূর্ণ হবিগঞ্জ শহরে কেউ এসে অশালীন বক্তব্য দিয়ে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে চাইলে তার দায়ভার তাকেই নিতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আজ অপ্রীতিকর একটি ঘটনার খবর শুনেছি। এর সঙ্গে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের কোনো সম্পর্ক নেই। শুনেছি, কোনো অশালীন বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বিক্ষুব্ধ মানুষ ধাওয়া দিয়েছে।’
হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’
/অ